BDhelthnews:
আমি গত *** মাস হলো বিয়ে করেছি, প্রত্যেক বার আমার যৌন আনন্দ লাভের অনেক আগেই আমার স্বামীর বীর্য বের হয়ে যায়. মনের মধ্যে এক ধরণের অশান্তি কাজ করে কিছুই ভাল লাগে না। মাঝে মাঝে মনে হয় স্বামী থেকে লুকিয়ে অন্য ছেলের সাথে প্রেম করি, একটু যৌন আনন্দ লাভ করার জন্য. কথা গুলো কারও কাছে বলতেও লজ্জা পাচ্ছি, কে আবার কি ভাবে নেয় জানি না. কিছু দিন আগে আপনার সাইট এ অত্যন্ত সুন্দর এবং অনেক উপকারী স্বাস্থ্য ও সেক্স বিষয়ক বিভিন্ন টিপস বিষয়ক এই সাইটা সর্ম্পকে জানতে পারলাম, তাই চিন্তা করলাম আপনাদের আজকে নিদ্বিদায় কথা গুলো বলি. আবার তাও বলি যে ওরাল সেক্স করলে একটু আনন্দ পাই কিন্তু যৌন উত্তজেনার একটু পরে পেনিস দিয়ে সেক্স করতে অনেক ভাল লাগে. যা গত ছয় মাসে একবারও পাই নাই. যদি যৌন আনন্দ লাভের আগেই আমার স্বামীর বীর্য বের হয়ে ডাওয়া সমস্যা নিয়ে একটু বলতেন তাহলে আপনাদের কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবো !!!
ওরাল সেক্স বা মুখমেহন সম্পর্কে ইসলাম ধর্ম
www.bdhelthnews.blogspot.com
কি বলে?
আপনার ডক্টরের উঃত্তর: – প্রতিবারই স্ত্রীর যৌন আনন্দ লাভ করার অনেক আগেই যদি স্বামীর বীর্যপতন ঘটে তবে সেটা স্ত্রীর পক্ষে অবশ্যই হতাশাজনক। সেই হতাশার বশে অনেকেই ভুল পদক্ষেপ করে ফেলে যা পরবর্তীকালে অশেষ শারীরিক ও মানসিক অশান্তির কারণ হয়। তাই প্রশ্নকর্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলব তাৎক্ষণিক যৌন আনন্দ লাভের জন্য নিজেকে কোন পরকীয়ায় জড়াবেন না, তাতে ভবিষ্যতে গভীর সমস্যা হতে পারে। আপনার স্বামীর সমস্যার অন্য সমাধান রয়েছে।
প্রথমত খোলাখুলি আপনার স্বামীর সঙ্গে কথা বলুন। তাকে বোঝান যে আপনার যৌনতৃপ্তি হচ্ছে না. কিন্তু তাই বলে আপনার স্বামীকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করবেন না, তাতে হীতে বিপরীত হতে পারে. ওনার আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। স্বামীর সাথে কথা বলে কোন ভাল সেক্সোলজিষ্ট বা সম্পর্ক কাউন্সিলর -এর কাছে নিয়ে যান. কারণ খুব তাড়াতাড়ি বীর্যপাত হওয়া (শীঘ্রপতন) মূলত একটি মানসিক সমস্যা। সেক্সোলজিষ্ট বা কাউন্সিলর ওনার সাথে কথা বলে ওই সমস্যা কেন হচ্ছে তার কারণ বুঝতে পারবেন ও কিভাবে সেটা নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেটা বলতে পারবেন। যোনির মধ্যে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর 1 থেকে দুই মিনিটের মধ্যে বীর্যপাত হলে তবেই ডাক্তারি পরিভাষায় তাকে শীঘ্রপতন বলা হয় (এখানে উল্লেখযোগ্য যে গড়ে 7 মিনিটের মধ্যেই পুরুষদের বীর্যস্খলন হয়ে যায়.). শীঘ্রপতনের কারণ কি তা সঠিক জানা যায় নি, তবে একাধিক কারণ অনুমান করা হয়. যেমন বয়ঃসন্ধির সময় অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ও সেই সময় কেউ যাতে দেখে না ফেলে সেজন্য দ্রুত বীর্যস্খলনের চেষ্টার ফলে সেটাই অভ্যাসে পরিণত হয়. এছাড়াও অশান্তি, দুশ্চিন্তা, বৌকে যৌন আন্ন্দ দিতে না পারার মানসিক চাপ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, শরীরে কোন আঘাত ইত্যাদির জন্যেও শীঘ্রপতন হতে পারে. কিছু কিছু ঔষধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার ফলে এবং নিয়মিত যৌনমিলন না করলেও শীঘ্রপতন হতে পরে. প্রায় 30 শতাংশ পুরুষ জীবনের কোন না কোন সময়ে শীঘ্রপতনের শিকার হয়।
স্ত্রকে যৌন আন্ন্দ দেওয়া এবং তাড়াতাড়ি বীর্য বের হয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করার একটি পদ্ধতি হল “কেগেল এক্সারসাইজ (Kegel Excersice)”. যে পেশীসমূহ ব্যবহার করে প্রস্রাবের বেগ আটকানো যায় ঠিক সেই পেশী ব্যবহার করে বীর্যপতনও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব. ওই পেশীর নাম হল পিসি পেশী. পিসি পেশীর এক্সারসাইজ করতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে কোনটা পিসি পেশী এবং তাকে কি করে খুঁজে বের করা যায়. সেজন্য গোড়াতে প্রস্রাব করতে বসে মাঝপথে প্রস্রাবের বেগ নিয়ন্ত্রণ করা বা বন্ধ করার চেষ্টা করতে হবে. লক্ষ্য রাখতে হবে যেন সেইসময় তলপেট, পা কিংবা নিতম্বের পেশী যেন ব্যবহার করা না হয় এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের গতিবেগ যেন স্বাভাবিক থাকে. যদি মূত্র ত্যাগের বেগ ধীরে হয় বা তা একেবারে বন্ধ হয়ে যায় তবে যে পেশীতে চাপ দিতে হয়েছিল সেটাই পিসি পেশী. এরকম কয়েকবার করলেই বোঝা যাবে কি করে পিসি পেশীকে সংকুচিত করা বা প্রসারিত করা সম্ভব. এরপর নিয়মিত দিনে তিনবার করে নিচে লেখা এক্সারসাইজ করতে হবে –
1) 5 সেকেন্ড ধরে পিসি পেশী সংকুচিত করুন (ভেতরের দিকে টানুন),২) এরপর 5 সেকেন্ড ধরে ধীরে ধীরে পিসি পেশী ছাড়ুন,3) উপরোক্ত পদ্ধতি 10 বার করুন।
কেগেল এক্সারসাইজ করলে যে শুধু বীর্যপতনের উপর নিয়ন্ত্রণ আসে তাই নয়, লিঙ্গের উত্তেজিত অবস্থায় দৈর্ঘ্যও বাড়তে পারে এবং তা আরও শক্ত হতে পারে. মহিলারাও এই এক্সারসাইজ করতে পারেন. তাতে তাদের যোনির ভেতরের দেওয়ালের পেশীর উপর নিয়ন্ত্রণ আসে এবং যৌনমিলনের সময় তারা প্রবিষ্ট লিঙ্গের উপর বিভিন্ন উপায়ে চাপ দিয়ে যৌন আনন্দ প্রভূত পরিমাণে বাড়াতে পারেন। www.bdhelthnews.blogsppt.com
বীর্যপতন নিয়ন্ত্রণ করার অপর একটি পদ্ধতি হল “স্টার্ট-স্টপ টেকনিক”। যৌনমিলনের সময় যখন মনে হবে যে আর একটু করলেই বীর্য বেরিয়ে যাবে, তখনই পিসি পেশী সংকুচিত করুন ও থেমে যান। এরপর ধীরে ধীরে পিসি পেশ

0 comments:
Post a Comment